করোনা মহামারীর সময়ে নিজ উদ্যোগে মিনি হাসপাতাল তরুন যুবকের

নগরীর চান্দঁগাও এলাকার বাসিন্দা মো. ইকবাল হোসেন চান্দঁগাও থানার পিছিয়ে পড়া জনপদ হামিদচর এলাকায় পাঁচ শয্যার একটি মিনি হাসপাতাল চালু করেছেন।

একজন চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে গত ৬ জুন চালু হওয়া হাসপাতালটিতে অক্সিজেন সিলিন্ডার, থার্মাল স্ক্যানার, অক্সিমিটার, নেবুলাইজার, গ্লুকোজ মিটারসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় মেডিকেল সরঞ্জামের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

কেন এ উদ্যোগ?– জানতে চাইলে ইকবাল হোসেন বলেন, ‘সামান্য অক্সিজেনের অভাবে মানুষ মারা যাচ্ছে। অনেক জায়গাতেই চিকিৎসক নাই। সব বেসরকারি হাসপাতাল রোগী নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এমন অবস্থায় একজন মানুষ হিসেবে বসে থাকার সুযোগ নাই। আমি বড় ব্যবসায়ী নই। তাই নিজের সামর্থ্যের মধ্যে যতটুকু করা যায় তার সবটুকু দিয়ে এ মিনি হাসপাতাল করেছি, যাতে মানুষ বিনা চিকিৎসায় মারা না যায়।’

তিনি বলেন, ‘একজন চিকিৎসক রয়েছে। পাশাপাশি এলাকার স্বেচ্ছাসেবীরা আছে হাসপাতালে রোগীদের সেবা দেয়ার জন্য। একজন নার্স প্রয়োজন, আশা করি আমরা পাব।’

৬ জুন উদ্বোধনের পরে এই হাসপাতালে নগরীর মোহরা এলাকা বাসিন্দা জেসমিন আক্তার তার স্বামীর চিকিৎসা করান।

তিনি বলেন, রোববার রাতে হঠাৎ আমার স্বামীর শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। স্থানীয় এক ডাক্তারের কাছে গেলে তিনি দ্রুত অক্সিজেনের ব্যবস্থা করতে বলেন। হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ঘুরেও কোথাও অক্সিজেন পাইনি।’

তিনি বলেন, ‘পরে একজন জানাল হামিদ চরে নতুন এ মিনি হাসপাতালের কথা। সেখানে গেলে তারা আমার স্বামীকে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে দেয়। এখন মোটামুটি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে আমার স্বামী।’

তথ্যসূত্র: দ্য ডেইলি স্টার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *